স্পোর্টস ডেস্ক:: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের একের পর এক ছক্কার ‘রেকর্ড’ খুব একটা নেই। তার ওপর আবার টানা চার বলে চার ছক্কা। বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রথম ঘটলো এমন ঘটনা। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ওভারে সাইফুদ্দিন টানা চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে ‘রেডর্ক’ করেছেন। এক ওভারে তুলেছেন ২৮ রানে।
পেসার সাইফুদ্দিনের এমন রেকর্ডের ম্যাচটি ৩৪ রানে জিতে সিরিজ সমতায় ফেরেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে এখন ১-১ সমতা। আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ ১৮৬ রান তুলতে পেরেছে সাইফুদ্দিনের এমন মারকাটারি ব্যাটিংয়ের কল্যাণেই। জবাবে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে ১৫২ রানেই গুটিয়ে যায়।
বুলাওয়েতে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ দুই ওপেনারের ব্যাটে পায় দারুণ শুরু। তানজীদ তামিম ও সাইফ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে সফরকারীরা উদ্বোধনী জুটিতে তুলে ১২০ রান। ১৫তম ওভারের চতুর্থ বলে আট চার ও এক ছক্কায় ৪৫ বলে ৫৫ রান করে সাইফের বিদায়ের পর ছন্দপতন ঘটে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের।
সাইফের বিদায়ের পর দুই রান তুলতেই সাজঘরের পথ ধরেন আরেক ওপেনার তানজীদ তামিম। ছয় চার আর দুই ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৮ রান করেন তিনি। ২১ রানের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। ৬ রানে অধিনায়ক হৃদয়, ১ রানে ইমন ও ৪ রানে সোহান সাজঘরে ফিরেন। ষষ্ট উইকেটে ইয়াসির আলি ও সাইফুদ্দিন জুটি গড়ে দলকে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান তুলেন। ২২ রানে ইয়াসির ও ৩১ রানে সাইফুদ্দিন অপরাজিত থাকেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড নাগারাব ও ব্রেড ইভান্স ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
১৮৭ রানের টার্গেটে খেলতে নামা জিম্বাবুয়ে টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ইনিংসের দুই বল আগে অলআউট হয় ১৫২ রানে। বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন মেহদী হাসান ও রিশাদ হোসেন। টাইগারদের বোলিং তোপে জিম্বাবুয়ের কোনো ব্যাটসম্যানই উইকেটে তীতু হতে পারেননি। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন রায়ান বার্ল। ২৮ রান এসেছে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে। এছাড়াও ১৯ রান করেছেন মিল্টন সুম্বা।
বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ ৪টি ও মেহদী ৩টি করে উইকেট লাভ করেন।
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০
































