স্পোর্টস ডেস্ক:: নিজেদের মাঠে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেলো মাত্র ১৯৮ রানে। বাংলাদেশ তাদের সেই রান টপকে গেছে। নাথান লায়নের বলে তানজিদ তামিম যখন স্বপ্নের তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছে আনন্দে ছোট্ট করে লাফ দিয়ে ডান হাত ছুড়লেন শূন্যে, গ্যালারি জুড়ে তখন করতালি। যাদের বেশির ভাগই অস্ট্রেলিয়ান। বুঝুাই যাচ্ছে বাংলাদেশী তারকার সেঞ্চুরি দেখতে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত স্বাগতিক দর্শকেরা।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি তানজিদ তামিমের টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি, সত্যিই তার জন্য বিশেষ কিছু। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে তানজীদ তামিম ১৯৭ বল খেলেছেন। মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্সদের শাসন করেছেন। দুর্দান্ত সব শট খেলেছেন। দেখিয়েছেন দারুণ টেম্পারম্যান্ট। ১০১ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসে ৮ বাউন্ডারির সঙ্গে হাঁকিয়েছেন একটি ছক্কাও।
বাংলাদেশী তরুণ তারকার এমন ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ সাবেক কিংবদন্তীরা। রিকি পন্টিং, মার্ক ওয়াহ, অ্যাডাম গিলক্রিস্টরা প্রশংসা করছেন তামিমের। এই ইনিংসটা কখনো ভুলবেন না তামিম সেটা মনে করিয়ে দিয়ে পন্টিং বলেন, ‘বাংলাদেশের ধীরগতির ও নিচু উইকেটে খেলে সে বড় হয়েছে। এখানে কন্ডিশন সম্পূর্ণ আলাদা, তবে সে চমৎকার খেলেছে। এটা এমন এক মুহূর্ত, যা সে কখনো ভুলবে না। তানজিদ মুগ্ধ করেছে। সে বেশ ধৈর্যশীল। ডিফেন্সে পোক্ত। টেকনিক খুবই সহজ—ভালো বলগুলো ডিফেন্ড করা আর খারাপ বলগুলোকে সীমানার বাইরে পাঠানো।’
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার মার্ক ওয়াহ ফক্স ক্রিকেটকে বলেন, ‘কী দারুণ এক মুহূর্ত! এরপর তার ক্যারিয়ারে যা-ই ঘটুক না কেন, ডারউইনে করা সেঞ্চুরি সে কখনো ভুলবে না। বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে কী দারুণ এক ইনিংসই না খেলল!’
দ্বিতীয় সেশনের খেলা শেষে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি ও ধারাভাষ্যকার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। সেঞ্চুরিটি নিয়ে তানজিদ বলেন, ‘আমার জন্য খুবই বিশেষ কিছু। কারণ, এখানে এবারই প্রথম এসেছি। দ্বিতীয় ম্যাচেই সেঞ্চুরি পাওয়া আমার জন্য খুবই বিশেষ ব্যাপার।’
এসএনপিস্পোর্টসটোয়েন্টিফোরডটকম/নিপ্র/ডেস্ক/০০































